বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১
২৫ মার্চ কালো রাতে শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।
২৫ মার্চ কালো রাতে শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।
বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১
লোহাগাড়ায় ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজ উদ্দিন কায়সারের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত।
লোহাগাড়ায় ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজ উদ্দিন কায়সারের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত।
লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ
লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন কায়সার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করা হয়।
১৭ই মার্চ, ২০২১ইং,(বুধবার) সকালে আমিরাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এই কর্মসূচী পালিত হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে, মিনহজ উদ্দিন, বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, রাজনীতির কবি, বাংলার রাখাল রাজা, অবিসংবাদিত নেতা, বঙ্গবন্ধুর ১০১ জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সহায়তায়, ও স্বউদ্যোগে এই কর্মসূচী পালন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমিরাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
আলফাজ,রাকিব,মিজান,শাহেদ,কামাল,মাঈনুদ্দীন, রিফাত, হ্নদয়,ফোরকান,উৎস ধর,জয় দাশ,মান্না দাশ,রাকিব দাশ,রিমন দাশ,নয়ন দাশ,সাগর দাশ,মুন্না দাশ,প্রমুখ।
রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণের বিভিন্ন দিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণের বিভিন্ন দিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা একটি দিন। এ দিনে বাঙলির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রদত্ত ভাষণ বিশ্ব ইতিহাসের সেরা ভাষণের মধ্যে অন্যতম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন রেসকোর্স ময়দানের বিশাল সমাবেশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে চিরবঞ্চিত বাঙালিকে পাকিস্তানি শাসক-শোষকদের বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার যে ডাক দিয়েছিলেন সে ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ সাড়ে সাত কোটি মানুষকে জাতীয় চেতনায় উদ্বেলিত ও ঐক্যবদ্ধ করে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের তিনি নিয়ে এসেছিলেন মুক্তির র্বাতা। সে দিনের সে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমেই বর্বর সামরিক শক্তির মুখোমুখি হয়ে নতুন বাংলাদেশকে আগামীর পথে অগ্রসর হওয়ার শক্তি যুগিয়েছিলেন। তাই এ ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর সেই ভাষণটি ক্যালেন্ডারের একটি তারিখকে মহাকালের দেয়ালে অনন্তকালের জন্য ভাস্বর করে দিল । ২৩ বছর ধরে তিল তিল করে রচিত সংগ্রামর পথ বেয়ে মহাজাগরণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। যাতে সবচেয়ে ধারাবাহিক, সবচেয়ে দূরদর্শি এবং সবচেয়ে সাহসী নেতৃত্ব এসেছে একেবারে দেশজ, বাঙালির প্রাণের গভীর থেকে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে উঠে আসা তুলনামূলকভাবে বয়সে তরুণ বিপ্লবী এক নেতা।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণ ইতিহাসের ম্যাগনাকাটার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, সে ভাষণটি পৃথিবীর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর মধ্যে অন্যতম ভাষণ হিসেবে বিশ্বের ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। সংগত কারণে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম ও ইতিহাসের ছাত্রদের জন্য আরো বিশ্লেষণের প্রয়োজন মনে করেই এ নিয়ে আজকের আলোচনার সূত্রপাত। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে অনেক লেখক-সাহিত্যিক-সাংবাদিক ও গবেষক অনেক আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছেন। তারপরও এ ভাষণটি আরো বেশি বিশ্লেষণের দাবি রাখে। আমি বঙ্গবন্ধুকে যতটুকু পড়েছি এবং পড়ার মাধ্যমে তাঁকে জেনেছি, সে হিসেবে এ ঐতিহাসিক ভাষণটি নিয়ে আরও বিশ্লেষণের দরকার। তাহলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব বিশেষত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও অধিক জানতে পারবে মানুষ। এখানে একটি কথা বলে রাখি, আমার মতো একজন নগণ্য মানুষের পক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো মহীরূহের এমন একটি ঐতিহাসিক ভাষণের বিশ্লেষণ করতে যাওয়া শুধু সাহস নয় দুঃসাহসের কাজ। যদিও আমি “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতি ও জীবনধারা” নামক প্রায় সাত শত পৃষ্ঠার একটি গবেষণা গ্রন্থ রচনা করেছি এবং সে বইটি ২০১৩ সালে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় ‘জনতা পাবলিকেশনস’ থেকে প্রকাশিত এবং বিক্রির তালিকায় মোটামুটি ভাল অবস্থানে, তবু সবার প্রতি বিনয় মিনতি জানিয়ে বলছি এ আলোচনায় যাবতীয় ভুলত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা করি। যাক ভূমিকা না বাড়িয়ে আলোচনার গভীরে যাওয়া যাক-
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের র্টানিং পয়েন্ট। এ দিন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রেসকোর্স ময়দানে পূর্ব নির্ধারিত জনসভায় যোগদানের জন্য দেশের বিভিন্নস্থান থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ জলোচ্ছ্বাসের গর্জনে বাস, লঞ্চ, ষ্টিমার, নৌকা ও পায়ে হেটে বিপুলবিক্রমে রাজধানী ঢাকার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। বাঁধভাঙা মানুষের স্রোতে দুপুর হ’তে না হ’তেই ভরে ওঠে রেসকোর্সের ময়দান। বাতাসে উড়ছে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল সূর্যের পতাকা। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন আর সাথে সাথে দুলে উঠছে বাঙালিদের সংগ্রামের প্রতীক লক্ষ লক্ষ বাঁশের লাঠি। মঞ্চ থেকে মাঝে মাঝেই স্লোগান তুলছেন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ‘জয় বাংলা’। ‘আপোষ না সংগ্রাম-সংগ্রাম,সংগ্রাম।’ ‘আমার দেশ তোমার দেশ-বাংলাদেশ বাংলাদেশ।’ পরিষদ না রাজপথ-রাজপথ, রাজপথ।’ ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর-বাংলদেশ স্বাধীন করো।’ ‘ঘরে ঘরে দুর্ঘ গড়-বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’
জনসভার কাজ শুরু হ’তে তখনও অনেক সময় বাকি। কিন্তু রেসকোর্স বৃহত্তর পরিসর ময়দান পেরিয়ে জনস্রোত ক্রমেই বিস্তৃত হতে থাকে কয়েক বর্গমাইল এলাকা জুড়ে। এদিকে বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্সের ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার না করার প্রতিবাদে বেতারে কর্মরত বাঙালি কর্মচারীরা তাৎক্ষণিক ধর্মঘট শুরু করায় বিকেল থেকে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। সংগৃহিত। চলবে.....
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট
সমন্বিত সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার দাবি চাকরি প্রার্থীদের / আহ্বান কর্তৃপক্ষকে।
সমন্বিত সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার দাবি চাকরি প্রার্থীদের / আহ্বান কর্তৃপক্ষকে। বি.কে বিচিত্র, কলাম। বর্তমানে সরকারি চাকরি নেওয়ার পদ্ধতি ...

-
লোহাগাড়ার রত্নাগর্ভা শিক্ষক দম্পতির ৩ সন্তানই এমবিবিএস পাশ ডাক্তার। চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলাধীন আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ এমবি উ...
-
সমন্বিত সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার দাবি চাকরি প্রার্থীদের / আহ্বান কর্তৃপক্ষকে। বি.কে বিচিত্র, কলাম। বর্তমানে সরকারি চাকরি নেওয়ার পদ্ধতি ...
-
Articles, By, B.K Bichitro, Positive Thinking & Attitude can be considered as a special quality for any human being. Can lead hi...